২৩ অক্টোবর ২০১৯

ক্যারিয়ার গড়তে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

-

বর্তমান সময়ে ক্যারিয়ারনির্ভর পড়াশোনা ছাড়া চাকরির বাজারে ভালো চাকরি পাওয়া সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা এইচএসসির পর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিষয়ে পড়াশোনা করতে পারেন। সরকারি ও বেসরকারি ইউনিভার্সিটিতে এ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জনের সুযোগ রয়েছে। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ১৯৯৬ সালে চালু হয়। সম্প্রতি এ ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (আইইবি) সদস্যপদ লাভ করেছে। ফলে এখন থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা চাকরির বাজারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরো বেশি সুবিধা পাবেন।
বর্তমানে এ বিভাগে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। এখান থেকে পাসকৃত প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী দেশ ও বিদেশে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মে নিয়োজিত রয়েছেন। এরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ কর্মস্থলে দক্ষতার সাথে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছেন। এখানে রয়েছে মানসম্পন্ন অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি এবং মাল্টিমিডিয়া সুবিধাসহ সুসজ্জিত ক্লাসরুম। এ বিভাগের অধীনে রয়েছে আটটি কম্পিউটার ল্যাবরেটরি। ল্যাবরেটরিতে রয়েছে প্রায় ৩০০টি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ও ফ্রি ওয়াইফাই সার্ভিস। এ বিভাগের অধীনে তিনটি কোর্স পরিচালনা করা হয়। কোর্সগুলো হলোÑ বিএসসি ইন সিএসই (দিবা/সান্ধ্যকালীন), এমএসসি ইন সিএসই এবং মাস্টার্স অব কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন (এমসিএ)। এ ছাড়া চারটি শর্ট সার্টিফিকেট কোর্স পরিচালনা করা হয়। কোর্সগুলো হলোÑ ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, অ্যান্ড্রয়েড, নেটওয়ার্কিং এবং ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট।
এই বিভাগের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. হাফিজ মো: হাসান বাবু। তিনি বলেন, ‘অন্যান্য ইউনিভার্সিটির তুলনায় এখানে টিউশন ফি অনেক কম। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েরা এখানে লেখাপড়া করতে পারে। তবে এখানকার লেখাপড়ার মান উন্নত। কোয়ালিটির ব্যাপারে ছাড় দেয়া হয় না। তাই এখানকার শিক্ষার্থীরা গবেষণায় এবং তাদের কর্মস্থলে সফলতা দেখাতে পারে।’ এ বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. এ টি এম মাহবুবুর রহমান সরকার বলেন, ‘এ ইউনিভার্সিটি থেকে পাসকৃত শিক্ষার্থীরা বিদেশে উচ্চতর শিক্ষা নিচ্ছেন এবং দেশ-বিদেশে বিভিন্ন সফটওয়্যার ফার্ম, নেটওয়ার্কিং ফার্মসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে উচ্চ পদে কর্মরত রয়েছেন। এখানে অধ্যয়ন করলে বাস্তবভিত্তিক পড়ালেখার পদ্ধতি ও অন্যান্য সুবিধা ছাড়াও পাস করে চাকরির নিশ্চয়তা রয়েছে।’ কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মো: ফাহিম ফয়সাল হিমেল বলেন, ‘ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র, শিক্ষক এবং সিনিয়র ও জুনিয়র শিক্ষার্থীর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। শিক্ষকেরা বন্ধুসুলভ এবং ক্লাসের বাইরে ছাত্রদের যথেষ্ট সময় দিয়ে থাকেন। এ ছাড়া পড়ালেখা ও চাকরির বিষয়ে সব সময় আমরা সিনিয়র সেমিস্টারের ছাত্রদের কাছে সহায়তা পেয়ে থাকি।’
এখানকার সব শিক্ষার্থীর জন্য ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এখানে রয়েছে তিনটি লাইব্রেরি, ইন্টারনেট ও ৩১টি ল্যাবরেটরি সুবিধা ছাড়াও ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্থায়ী ক্যাম্পাসের কাছেই রয়েছে সাতটি হোস্টেল। এখানে হিউম্যান রাইটস অ্যাডভোকেসি সেল, সোস্যাল বিজনেস একাডেমিক সেল, ডিবেটিং ক্লাব, কালচারাল ক্লাব, স্পোর্টস ক্লাব, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, পরিবহন সুবিধা, স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা রয়েছে। এ ইউনিভার্সিটিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ২০১০-এর আইন অনুযায়ী, দরিদ্র, মেধাবী ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের বৃত্তি দেয়া হয়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্তদের বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে।
যোগাযোগ : স্থায়ী ক্যাম্পাস : সাতারকুল, বাড্ডা, ঢাকা।
ফোন : ০১৯৩৯৮৫১০৬০
ক্যাম্পাস : ৬৬, গ্রিন রোড, ঢাকা। ফোন : ০১৬১১৩৪৮৩৪৪-৮
ক্যাম্পাস : বাড়ি-০৪, সড়ক-০১, ব্লক-এফ, বনানী, ঢাকা।
ফোন : ০১৯৩৯৮৫১০৬১-৪। ওয়েবসাইট : িি.িফরঁ.ধপ


আরো সংবাদ