১৮ নভেম্বর ২০১৯

সীমান্তে সিরীয় ও তুর্কি সৈন্যদের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি

সিরীয় ও তুর্কি সৈন্যদের মধ্যে সীমান্তে মঙ্গলবার ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। অক্টোবর মাসের গোড়ার দিকে আঙ্কারার কুর্দি বিরোধী অভিযান শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো এ দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে এ সংঘর্ষ হলো।

এদিকে রাশিয়া জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা থেকে কুর্দি সৈন্য সরিয়ে নেয়া হয়েছে। খবর এএফপি’র।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু বলেন, এ মাসের গোড়ার দিকে সোচিতে আঙ্কারা ও সরকার সমর্থক মস্কোর মধ্যে স্বাক্ষর করা চুক্তি অনুযায়ী তুর্কি ও সিরীয় সীমান্ত থেকে কুর্দি বাহিনীকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।

শোইগুর বরাত দিয়ে রাশিয়ার বার্তা সংস্থার খবরে বলা হয়, ‘যেসব এলাকা থেকে সশস্ত্র বাহিনীকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে সেসব এলাকায় যথাসময়ের আগেই একটি নিরাপত্তা করিডোর গঠনের কাজ শেষ করতে হবে।’

তুরস্কের সামরিক বাহিনী ও তাদের সিরীয় প্রতিনিধিরা প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে একটি বাফার জোন ঘোষণার লক্ষ্য নিয়ে গত ৯ অক্টোবর সিরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে কুর্দি বিরোধী অভিযান শুরু করে।

এ মাসের গোড়ার দিকে কুর্দি বাহিনী ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকা থেকে সরে যাওয়ার ব্যাপারে সম্মত হলেও সেখানে সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে বলা হয়, সোচি চুক্তির পরিকল্পনা অনুযায়ী তুরস্ক ও রাশিয়ার যৌথ টহল দল কুর্দি বাহিনীর সদস্যদের সরিয়ে নেয়ার বিষয়টি যাচাই করবে।

শোইগু বলেন, ওই এলাকায় সিরীয় সীমান্ত রক্ষী ও রাশিয়ার সামরিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তবে মঙ্গলবার সিরীয় ও তুর্কি বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হওয়ায় সেখানকার পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়েছে।

মানবাধিকার বিষয়ক সিরীয় পর্যবেক্ষণ সংস্থা জানায়, ‘সিরীয় ও তুরস্কের সৈন্যদের মধ্যে এই প্রথমবারের মতো ব্যাপক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। তারা আরো জানায়, এতে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী শহর রাস আল-আইনের কাছে সিরিয়ার ছয় সৈন্য নিহত হয়েছে।

এ পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান রামি আবদেল রাহমান এএফপিকে বলেন, ‘আসাদিয়া গ্রামের কিনারায় যুদ্ধে তুরস্কের কামান হামলায় সরকারি বাহিনীর পাঁচ সদস্য নিহত হয়’।


আরো সংবাদ