১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন বরিস জনসন

বরিস জনসন - ছবি : সংগৃহীত

ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন কনজারভেটিভ পার্টির নেতা বরিস জনসন। বুধবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা আটটার দিকে তিনি ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সাথে দেখা করেন। এসময় রানী তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত করেন। এর আগের দিন কনজারভেটিভ পার্টির নেতা নির্বাচিত হন জনসন।

এর মধ্য দিয়ে থেরেসা মে অধ্যায় শেষে বরিস জনসনের সরকারের যুগে প্রবেশ করলো ব্রিটেন। ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে এমপিদের সাথে বিরোধীতার জের ধরে পদত্যাগ করেন থেরেসা মে। তার জায়গায় দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী হয়ে আসেন লন্ডনের সাবেক মেয়র ও থেরেসা সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন।

সাংবাদিকতা থেকে রাজনীতিতে আসা জনসনের জন্ম নিউ ইয়র্কে এক ব্রিটিশ দম্পতির ঘরে। তবের তার পূর্ব পুরুষরা ছিলেন তুর্কি মুসলিম। ২০০১ প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন জনসন। এরপর পর্যায়ক্রমে লন্ডনের মেয়র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন শেষে বুধবার দায়িত্ব নেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে।

রাজপ্রাসাদ থেকে বেড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যায়ল ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটে এক সংক্ষিপ্ত ভাষন দেন নতুন এই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, স্বাধীনতা, মুক্তমত আইনের শাসন এবং গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। এ জন্যই আগামী ৩১ অক্টোবর আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেড়িয়ে যাব।

প্রসঙ্গত ব্রেক্সিট বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেড়িয়ে যাওয়া নিয়ে ক্ষমতা ছাড়তে হলো দুজন প্রধানমন্ত্রীকে। ইতোপূর্বে ডেভিড ক্যামেরন ও থেরেসা মে ব্রেক্সিট নিয়ে বিতর্কের জেরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তাই জনসনের জন্য সঠিকভাবে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আরো সংবাদ