১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

বান্ধবীকে নিয়ে সরকারি বাসভবনে উঠবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী?

বরিস জনসন ও ক্যারি সায়মন্ড - ছবি : সংগৃহীত

নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন কনজারভেটিভ পার্টির নেতা বরিস জনস। আর জনসন দায়িত্ব নেয়ার পরই একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমগুলোতে। সেটি হলো জনসন কাকে নিয়ে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাড়িতে উঠবেন? কে হবেন ব্রিটিশ ফার্স্টলেডি?

এই প্রশ্ন ওঠার কারণ- বরিস জনসনের সাথে তার স্ত্রী মেরিনা হুইলারের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে অনেক বছর আগে। এরপর জনসনের জীবনে এসেছেন প্রেমিকা ক্যারি সায়মন্ড। প্রশ্ন উঠেছে তাহলে কি ক্যারি সায়মন্ডকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে উঠবেন জনসন? তেমনটি হলে ক্যারির পদবি কী হবে?

প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টের স্ত্রীদের বলা হয় ফার্স্টলেডি, কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর প্রেমিকাকে কি বলা হবে সেটি নেই ব্রিটিশ সরকারের অভিধানে। কারণ এমনটি আগে কোনদিন ঘটেনি। কেউ কেউ অবশ্য বলছেন, ক্যারির পদবি হবে ‘ফার্স্ট গার্লফ্রেন্ড’।

যদিও এখনো পর্যন্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে কোন ঘোষণা দেয়া হয়নি যে কারা কারা থাকবেন তার বাসভবনে। অতীতে কোন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বিবাহ বহির্ভূত সঙ্গী নিয়ে ডাউনিং স্ট্রিটে উঠেছেন এমন নজির নেই। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সিএনএনকে বলা হয়েছে, তারা এখনো জানেন না ক্যারি সায়মন্ড সেখানে উঠবেন কি না। বিষয়টি নিয়ে তাই ধোয়াশা কাটছে না।

৩১ বছর বয়সী ক্যারি সায়মন্ডকে দেখা গেছে জনসনের প্রথম বক্তৃতার সময় মঞ্চের পাশেই। এ সময় ফটোসাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরেছে ছবি তোলার জন্য। তবে জনসনের দলীয় প্রধান হওয়ার প্রচারণার সময় খুব একটা দেখা যায়নি ক্যারিকে। রানীর সাথে সাক্ষাতের সময় ছিলেন না তিনি।

এসব কারণে ব্রিটিশ মিডিয়া সন্দিহান যে ক্যারি ডাউনিং স্ট্রিটে উঠলেও যথাযথ ভুমিকা পালন করতে পারবেন কি না। কারণ তখন তাকে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে বিদেশে যেতে হবে। সেখানে পালন করতে হবে কিছু কূটনৈতিক দায়িত্ব। সেগুলোতে ক্যারি কতটা দক্ষ হবেন সেই প্রশ্ন করছে তারা।

অনেকে মনে করছেন, ডাউনিং স্ট্রিটে উঠলেও ক্যারি তেমন একটা প্রভাব রাখতে পারবেন না তার কাজে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্টলেডিদের মতো ব্রিটিশ ফার্স্টলেডিদের অতটা আনুষ্ঠানিকতা পালন করে চলতে হয় না। তাদের কোন নির্দিষ্ট দায়িত্বও নেই।

যেমন টনি ব্লেয়ার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরও তার স্ত্রী চেরি ব্যারিস্টারি ছাড়েন নি। সরকারি কোন কাজে না জড়িয়ে তিনি নিজের কাজ করে গেছেন।


আরো সংবাদ