২৩ আগস্ট ২০১৯

ধর্ষণ ও কিছু কথা

-

সেøাগান হওয়া উচিতÑ নিরাপদ যৌন আচরণের সাথে রক্ষণশীল যৌন আচরণ করুন। ধর্ষণ এখন স্টার জলসা সিরিয়ালের মতো। না দেখলে যেমন মাথা ঠিক থাকে না, অভ্যাসবশত কাহিনী কি জানার পরও সময় হলে আবার টিভির সামনে বসতে হয়; ঠিক তেমনি সবকিছু শাস্তি জানার পরও দেশব্যাপী আলোড়ন চলার মধ্য দিয়েও সময়মতো আবার ধর্ষণ হচ্ছে। আমরা পত্রিকা, ফেসবুকে এই লিংকগুলো প্রথম প্রথম পড়ি শেয়ার করি, পরে বিরক্ত হয়ে এড়িয়ে যাই। বিশ্রী লাগে ওই খবর পড়তেও।
কিন্তু আমার বিরক্তির সাথে অপরাধটা কিন্তু কমছে না। প্রতিনিয়ত একেকটি পরিবার ধর্ষণের কুফল ভোগ করছে। বিষয়টা এমন পর্যায়ে গেছে, ১৩০ বছরের বৃদ্ধা, আটমাসের শিশুও রেহাই পাচ্ছে না।
এত বিপর্যয়ের কারণ কী? দেশে অনেক বড় বড় গবেষক আছেন, অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে তারা পড়ে আছেন। একবারও শুনলাম না ধর্ষণের মহামারীর কারণ নিয়ে কোনো মহান ব্যক্তি বলেছেন। নিশ্চয়ই বিষয়টা নিয়ে গবেষণা করলে সমাধান বের হবে। শাস্তি দিয়ে অপরাধ নির্মূল সম্ভব নয়।
এর মূল কারণ খুঁজে বের করে মূলোৎপাটন করতে হবে।
রক্ষণশীল যৌন আচরণ কথাটা বলেছি আমার সীমিত জ্ঞান থেকে। সাইবার ক্রাইম আইনে হয়তো পর্নো ভিডিও বন্ধ করা হয়েছে কিন্তু নির্মূল হয়নি। এরপর অনেক সময় রাস্তাঘাটে, পার্কে বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে আমাদের চোখে পড়ে নানারকম অশ্লীল দৃশ্য। যেটা কিশোর মনে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
আমাদের দেশে শিশু ও বাবা-মা একই বিছানায় ঘুমানোর রীতি। সেখানে ছোট শিশুটিকে আমরা ছোট ভাবছি কিন্তু বাবা-মায়ের সামান্য কিছু ভুল তার মনে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। মাঝ রাতে আপনার কথোপকথন সৃষ্টি করে তার মনে কৌতূহল।
তাই বলছি, যৌন আচরণে রক্ষণশীল হতে হবে।
সচেতন করতে হবে তৃণমূল জনগণকে। যৌন শিক্ষা লজ্জার বিষয় নয়, জানার বিষয়। ভালো করে জানুন, সমাজকে সহায়তা করুন।
জোবায়দা আক্তার জবা, গোপালগঞ্জ

 


আরো সংবাদ