৬ মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকার : শিক্ষক-সভাপতি আটক
৬ মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকার : শিক্ষক-সভাপতি আটক

৬ মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকার : শিক্ষক-সভাপতি আটক

নাটোর ও বড়াইগ্রাম সংবাদদাতা

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার আহম্মেদপুর মহিউস সুন্নাহ হাফেজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার ছয় ছাত্রকে দিনের পর দিন বলাৎকার করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার পারভেজ অভিযুক্ত শিক্ষক আতাউর রহমান ফকির (২৩) এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করায় মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল গণি হাওলাদারকে (৬০) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

আটক আতাউর রহমান জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার হিজলী দিঘাগাড়ি গ্রামের আকতার হোসেন ফকিরের ছেলে এবং আব্দুল গণি উপজেলার নওপাড়া গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে।

বড়াইগ্রাম থানার ওসি শাহরিয়ার খান জানান, বেশ কিছু দিন ধরে আতাউর রহমান ৬ জন ছাত্রকে রাতের বেলায় জোরপূর্বক বলাৎকার করে আসছিলেন। একই সাথে কাউকে কোনো কিছু না জানানোর জন্য তাদেরকে ভয়ভীতি দেখান তিনি।

গত শুক্রবার রাতে একইভাবে একজন ছাত্রকে মুখ চেপে ধরে বলাৎকার করার ফলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে যথেষ্ট গোপনীয়তার সাথে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ সময় মাদরাসার সভাপতিকে জানালে তিনি কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে চিকিৎসার জন্য মাত্র ৫ শ' টাকা ধরিয়ে দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন।

সোমবার রাত ১০ টার দিকে ওই শিক্ষকের পুনরায় একই ঘটনা ঘটানোর খবর খবর পেয়ে ইউএনও মাদরাসায় যান। সেখানে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা স্বীকারোক্তির ভিত্তিকে তিনি অভিযুক্ত শিক্ষক ও মাদরাসার সভাপতিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে ভুক্তভোগী এক ছাত্রের বাবা বড়াইগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার তাদেরকে কোর্টের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.